আমাদের কেন ব্লু লাইট ফিল্টার গ্লাস ব্যবহার করা উচিত?

ব্লু কাট গ্লাস কেন ব্যবহার করবো? কিনার আগে কি কি বিবেচনা করবো? এবং কোথা থেকে কিনবো এ বিষয়ে কথা বলবো এই পোস্টে।

ক্রিয়েটিভ ক্লেন শপ থেকে অর্ডার করুন

ব্লু লাইটের সব চেয়ে ভয়াবহ দিক:

ব্লু লাইট এর প্রধান খারাপ দিক হচ্ছে এ লাইট আমাদের ব্রেনে মেলাটোনিন হরমোন রিলিজ করে যেটা আমাদের ব্রেনকে বলে এখনো ঘুমানোর সময় হয় নাই। যার ফলে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে। ব্লু লাইটের প্রধান সোর্স হচ্ছে সূর্য। এ জন্যই আল্লাহ আমাদেরকে ঘুমানোর জন্য রাত দিয়েছেন এবং রাতে ঘুমানোর জন্য গুরুত্ব দিয়েছেন।

সূর্যের পর ব্লু লাইটের উৎস হচ্ছে টিভি, কম্পিউটার বা যে কোন ডিজিটাল স্ক্রিন এমনকি এল ই ডি লাইট। এখন আপনি নিশ্চয় বলবেন কম্পিউটার ব্যবহারের পর আমার তো ঘুম আসতে দেরি হয় না।

এমনটা হওয়াও অস্বাভাবিক না। কারণ আমরা বেশ ক্লান্ত থাকি দীর্ঘ সময় না ঘুমানোর কারণে কিন্তু স্লিপ কোয়ালিটিতে ব্যাঘাত ঘটে যার ফলে দীর্ঘ দিন এমন ঘটলে আমাদের স্মৃতি শক্তি কমতে থাকে। কোথায় কি রেখেছেন বা কি বলতে চান সেটা ভুলে যেতে পারেন। স্মরণ রাখবেন, আমাদের মিনিমাম ৭ ঘণ্টা কোয়ালিটি ঘুম প্রয়োজন সুস্বাস্থ্যের জন্য।

ব্লুলাইট এবং এবং চোখের রেটিনা:

ব্লু লাইট চোখের রেটিনার ক্ষতি করে কিনা এটা এখনো মেডিকালি প্রমাণিত না এবং ডাক্তার দের মধ্যে এটা নিয়ে বিরোধ আছে। তবে ব্লু লাইট আমাদের চোখের রেটিনা একেবারে ডিপে যেয়ে পৌছায় এবং এর ফলে কারো কারো মাথা ব্যথা কিংবা চোখে বেশ অস্বস্থি বোধ হতে পারে। এই বিষয়ে ইউটিউব করে আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন বিশেষজ্ঞদের ভিডিওতে।

ব্লু লাইট থেকে বিভাবে বাচতে পারি?

ডিজিটাল ডিভাইস ব্লু লাইট ফিল্টার সহ কিনবেন অথবা ব্লু লাইট ফিল্টার গ্লাস ব্যবহার করবেন। এ ছাড়া বর্তমানে আই কেয়ার মনিটর পাওয়া যায় যেগুলোতে বিল্টইন ব্লু লাইট ফিল্টার থাকে। আমাদের স্মার্ট ফোনেও নাট মুড একটা অপশন থাকে যেটা অন করলে কিছুটা হলুদ টোন এর ডিসপ্লে হয়। সেটা ব্যবহার করতে পারেন।

আপনার যদি আপাতত মনিটোর কিংবা গ্লাস কিনার বাজেট না থাকে আপনি এই সফটওয়ার ব্যবহার করতে পারেন: F.Lux

ডিসপ্লে কালারে কেমন ইফেক্ট পড়ে? ডিজাইনারদের জন্য কোন সমস্যা হবে?

আমি যেটা ফিল করছি, ব্লু গ্লাস ডিসপ্লেকে কিছুটা ওয়ার্ম করে যারা ফলে কিছুটা কমফোর্ট পাওয়া যায় চোখে। এবং ৩-৪% হলুদাভ করে ডিসপ্লেকে। এটা অনেক বেশি ইমপ্যাক্ট ফেলবেনা বলে আমি মনে করি।

কোথা থেকে ব্লু লাইট গ্লাস কিনবেন:

ক্রিয়েটিভ ক্লেন শপ থেকে অর্ডার করুন

অনেক কোয়ালিটির ব্লু লাইট ফিল্টার লেন্স পাওয়া যায়। তবে প্রধান দুই ২ ধরনের ব্লু লাইট ফিল্টার গ্লাস রয়েছ একটা হচ্ছে ক্লিয়ার আর অন্যটা হচ্ছে কিছুটা হলুদ কালারের। যদিও হলুদ কালারেরটাই বেশি ইফেক্টিভ তবে আমরা যারা ডিজাইনার তাদের জন্য ক্লিয়ারটাই বেশি ভালো। এছাড়াও আরেক ধরণের ক্লিয়ার গ্লাস আছে যেটা স্ট্রং ব্লু লােইট পেলে অটোমেটিকালি ডার্ক হয়ে যায় এবং আবার কিছুক্ষন পর অটো ক্লিয়ার হয়ে যায়।

যে কোন ভালো চশমার দোকানে গিয়ে ব্লু লাই কাট গ্লাস বললেই পাবেন। তবে দারাজ কিংবা রোড সাইড থেকে এক দুইশ টাকার গ্লাসে নির্ভর না করাই ভালো। আমি চেষ্টা করবো পরবর্তীতে পোস্ট টি আপডেট করার জন্য যাতে করে ভালো কিছু সোসের্র লিংক বা ঠিকানা আপনাকে দেতে পারি। সে পর্যন্ত আমি যে দোকান থেকে নিয়েছি সে দোকান থেকে নিতে পারেন।

অন্যান্য যে পোস্টগুলো আপনার পড়া প্রয়োজন

  1. গ্রাফিক ডিজাইন কিভাবে শিখবেন? কোথায় শিখবেন?
  2. ফ্রিল্যান্সিং কে পেশা হিসাবে নিতেহলে যেই বিষয় গুলা অবশ্যই জানতে হবে
  3. ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং ট্রেনিং সেন্টারগুলোতে আপনি যেভাবে ঠকতে পারেন
  4. নতুন গ্রাফিক ডিজাইনার? মাথায় আইডিয়া আসে না? (এই পোস্ট পড়ুন)
  5. আপনি যে কারনে ডিজাইনার হতে পারবেন না (Case Study)

2 thoughts on “আমাদের কেন ব্লু লাইট ফিল্টার গ্লাস ব্যবহার করা উচিত?”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shopping Cart

কোন প্রশ্ন আছে?