রিমন যেভাবে গ্রাফিক রিভার স্বপ্ন পূরণ করেছে

Imam Hasan Rimon

ক্রিয়েটিভ ক্লেন স্টুডেন্ট ইমাম হাসান রিমন গ্রাফিক রিভারে প্রোডাক্ট পাবলিশ হওয়ার পর এই পোস্টটি ক্রিয়েটিভ ক্লেন প্রিমিয়াম গ্রুপে (সিক্রেট গ্রুপ, গ্রাফিক প্রো কোর্স এর সাথে থাকে) পোস্ট করেন।

আলহামদুলিল্লাহ 😍🥰😍😍 হুররে……. গ্রাফিক অথর হয়ে গেলাম।আল্লাহর রহমতে গ্রাফিক রিভারে ডিজাইন এপ্রুভ হয়েছে। এটা গ্রাফিক রিভারে প্রথম আপলোড ছিলো। প্রথম আপলোডে বাজিমাত করার মতো অবস্থা। অনেক আনন্দ হচ্ছে। অনেক দিনের কষ্টটা স্বার্থক হয়েছে।

যাদের অবদানঃ আমার সফলতার পিছনে Töwhîdūl Islåm, Nasir Uddin, Gulam Pieas Akbar Bhuiyan, Hossain Al Azad ভাইদের অবদান অনেক বেশি। আমি প্রথম থেকে তাদেরকে আমার ডিজাইন দেখিয়ে আসছি। তাদের প্রত্যেকটা কমেন্ট আমার জন্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং আমি তা ভাল ভাবেই অনুসরণ করে আসছি, করে যাবো। উনাদের মতো হেল্পফুল বড় ভাই যার তার ভাগ্যে কমই জুটে। AR Xihad ভাই শুরু থেকেই সাহায্য করে যাচ্ছেন। উনার লাস্ট ‘রিয়েল কনটেন্ট চ্যালেঞ্জ’ আমাকে অনেক সাহায্য করেছে।

এই চ্যালেঞ্জটা ডিজাইন সেন্স, কোয়ালিটি ইম্প্রুুভ করতে সাহায্য করেছিলো। অনেক মিস করছি চ্যালেঞ্জটা। তারপর থেকে ডিজাইন আস্তে আস্তে ইমপ্রুভের দিকে।সেরা মেন্টরঃ আমার গ্রাফিক ডিজাইন সেক্টরের সেরা মেন্টর Abu Naser আংকেল। নতুন করে আমার আর কিছু বলার নাই। তবে তিনিই আমাকে উৎসাহিত করেছেন গ্রাফিক রিভার ফলো এবং ডিজাইন আপলোড করার জন্য। বর্তমানে গ্রাফিক রিভার অনেক কঠিন হওয়ার ফলে আমি উনাকে বলেছিলাম গ্রাফিক রিভারে ডিজাইন এপ্রুভ করানো অনেক কঠিন। অনেক হতাশ ছিলাম (তার মধ্যে অনেকের একাউন্ট 6 মাসের জন্য ব্যান করে দিয়েছিলো)।

এত কষ্ট করে ডিজাইন করে যাচ্ছি যদি গ্রাফিক রিভারে দিতে না পারি কেমনে কি। উনার উক্তি “এটা অভারকাম করতে পারলেই সফলতা”।

অনুপ্রেরণাঃ গ্রাফিক ডিজাইন সেক্টরে আমার অনুপ্রেরণা হচ্ছে Mosharf Hossain আংকেল। তাকে ফলো করেই আমার গ্রাফিক ডিজাইনে আসা। উনাকে ফলো না করলে হয়তো গ্রাফিক ডিজাইন আসলে কি জিনিস বুঝতে পারতাম না। উনার হাত ধরেই আমার কম্পিউটার জগতে আসা। তিনি অনেক ভাল মনের মানুষ। উনাকে অনেক মিস করছি।

অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তিঃ এই কোর্স থেকে সবচেয়ে বড় পাওয়া হচ্ছে লাইফ টাইম সার্পেোট। আসলে কোর্স করানোর মতো অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে ক্রিয়েটিভ ক্লেন তার চেয়ে ব্যতিক্রম। লাইফ টাইম সার্পেোটটাই সকল ডিজাইনারের প্রয়োজন। তার চেয়ে বড় প্রাপ্তি হচ্ছে বড় ভাইদের সাথে ভাল সম্পর্ক গড়ে উঠা। সফলতার পিছনে যাদের অবদান অনেক বেশি। সবার মন মানসিকতা দেখে আমি মুগ্ধ। আসলে সবার এমনটাই হওয়া উচিত। পরিশ্রম, ধৈর্য ও সময়ঃ কোর্স নিয়েছি মাত্র 6.5 মাস হয়েছে। কোর্স নেওয়ার পর থেকেই আমি ডিজাইন করা শুরু করে দিই।

প্রতিদিনি গড়ে 6-9 ঘন্টা সময় দিতাম। সফলতার পিছনে সবচেয়ে বড় মূল্যবান জিনিসটি হচ্ছে ধৈর্য। যা আমার মোটামুটি আছে। ডিজাইনে কখনো অবসাদ আসেনি। তবে বর্তমানে ডিজাইন করার চেয়ে রিসার্চ করা হচ্ছে বেশি।

বিঃদ্রঃ মানুষ খুশিতে থাকলে কি বলে ফেলে তা সে নিজেও জানে না। আমিও অনেক কিছু বলে ফেলেছি। কোনরকম ভুল হয়ে থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। অনেক দিনের প্লেন ছিল এইরকম সফলতার পোস্ট দিব। সবাই দোয়া করবেন। যাতে আরো এই রকম সফলতার পোস্ট দিতে পারি। ধন্যবাদ।

অন্যান্য যে পোস্টগুলো আপনার পড়া প্রয়োজন

  1. গ্রাফিক ডিজাইন কিভাবে শিখবেন? কোথায় শিখবেন?
  2. ফ্রিল্যান্সিং কে পেশা হিসাবে নিতেহলে যেই বিষয় গুলা অবশ্যই জানতে হবে
  3. ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং ট্রেনিং সেন্টারগুলোতে আপনি যেভাবে ঠকতে পারেন
  4. নতুন গ্রাফিক ডিজাইনার? মাথায় আইডিয়া আসে না? (এই পোস্ট পড়ুন)
  5. আপনি যে কারনে ডিজাইনার হতে পারবেন না (Case Study)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts

Whales: Giants of the Ocean

Whales: Giants of the Ocean Whales are among the largest and most remarkable animals on Earth. These marine mammals live

Whales: Giants of the Ocean

Whales: Giants of the Ocean Whales are among the largest and most remarkable animals on Earth. These marine mammals live

Whales: Giants of the Ocean

Whales: Giants of the Ocean Whales are among the largest and most remarkable animals on Earth. These marine mammals live

Whales: Giants of the Ocean

Whales: Giants of the Ocean Whales are among the largest and most remarkable animals on Earth. These marine mammals live