AI যুগে টিকে থাকার জন্য নতুন কাজ, নতুন আয়ের পথ
একা বুঝে ওঠার চেষ্টা নয় — একসাথে, একটি কমিউনিটির ভেতর থেকে।
শুরু করার আগে এই ভিডিওটি দেখুন
প্রশ্নটা আর “কোন সফটওয়্যারটা শিখব” নয়। আসল প্রশ্ন — এই যুগে কোন কাজগুলো টিকে থাকবে, আর সেখান থেকে আয় আসবে কীভাবে? এই উত্তরটা একা বসে বের করা কঠিন। তাই আমরা একটি কমিউনিটি দাঁড় করাচ্ছি, যেখানে নিয়মিত ভিডিও ও আলোচনার মাধ্যমে আমরা একসাথে খুঁজে বের করব নতুন কর্মক্ষেত্র, আর সেখান থেকে আয় করার বাস্তব উপায়।
৭ দিনের মানিব্যাক গ্যারান্টি · কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা লাগে না · দিনে ১–২ ঘণ্টা
কেন এই স্কিল, কেন এখন
AI অনেক কাজ করে দিচ্ছে — কিন্তু বিক্রিটা করে দিচ্ছে না
যিনি কোনোদিন ইলাস্ট্রেটর খোলেননি, তিনিও আজ AI-কে কমান্ড দিয়ে প্রফেশনাল মানের ডিজাইন বানিয়ে ফেলছেন। যে কাজে আগে কয়েকজন লাগত, এখন একজনই সামলে নিচ্ছেন। শুধু টেকনিক্যাল স্কিলের ওপর ভরসা করে বসে থাকাটা তাই আগের মতো নিরাপদ নেই।
টুল বদলায়, স্কিলটা থাকে
একজন মানুষকে বুঝিয়ে, আস্থা তৈরি করে “হ্যাঁ” আদায় করা — এই কাজটা কোনো সফটওয়্যার আপনার হয়ে করে দেয় না।
স্কিল থাকলেই যথেষ্ট নয়
নিজের কাজটা কাস্টমারের কাছে তুলে ধরতে না পারলে, কম দক্ষ একজন মানুষও আপনাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যান।
শেখার একমাত্র উপায় করা
সেলস বই পড়ে হয় না। কয়েকবার বাস্তবে করলে তবেই হয় — আর সেই “কয়েকবার”-এর ব্যবস্থাটাই এই ট্রেনিং।
এ কারণেই আমরা আপনাকে থিওরি ধরিয়ে দিই না। ধরিয়ে দিই একটি নির্দিষ্ট, ছোট ও কম-ঝুঁকির ক্যাম্পেইন — যেটা চালাতে গিয়ে আপনি বাস্তবে ক্লায়েন্টের সামনে গিয়ে বসেন। যে দোকানে আগে সাধারণ কাস্টমার হিসেবে যেতেন, এবার সেখানেই যাবেন একজন সলিউশন প্রোভাইডার হয়ে — অনুকম্পা চাইতে নয়, তাঁর ব্যবসার প্রচারটা আধুনিক করে দিতে।
আমরা যা নিয়ে কাজ করব
চারটি জায়গা, একটাই লক্ষ্য
AI অনেক কাজ নিজে করে দিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু নতুন কাজও তৈরি করছে। সেই নতুন জায়গাগুলোতে নিজের অবস্থান তৈরি করাই এই প্রজেক্টের মূল কথা।
পারসোনাল ব্র্যান্ড
AI যুগে আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ আপনার নিজের নাম ও পরিচিতি। কীভাবে নিজেকে এমনভাবে উপস্থাপন করবেন যাতে কাজ আপনাকে খুঁজে নেয় — সেটাই শেখানো হবে।
নতুন কাজের দিকনির্দেশনা
কোন কাজগুলোর চাহিদা তৈরি হচ্ছে, কোনগুলো ফুরিয়ে আসছে, আর আপনার হাতে থাকা স্কিল দিয়ে কোনটা ধরা সবচেয়ে বাস্তবসম্মত।
গ্রুপে নলেজ শেয়ারিং
কে কী শিখছে, কে কোথায় আটকাচ্ছে, কোনটা কাজে লেগেছে — সব একসাথে। একা শেখার চেয়ে এটা অনেক দ্রুত কাজ করে।
প্রোডাক্ট ও সার্ভিস রিসেল
নিজে প্রোডাক্ট না বানিয়েও ডিজিটাল, মার্কেটিং ও সার্ভিস প্রোডাক্ট বিক্রি করে আয়ের পথ — রেডি সাপ্লাই আমাদের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম থেকেই।
এর পাশাপাশি হাতে-কলমে শুরু করার জন্য কিছু রেডি মডেল, টেমপ্লেট ও ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের স্ক্রিপ্টও পাবেন — শেয়ার্ড-কস্ট মার্কেটিং তার একটি মাধ্যম মাত্র। মাধ্যম বদলাতে পারে; উপরের চারটি জায়গাই মূল কথা।
কীভাবে চলবে
মূল কাজটা হবে গ্রুপে
এটি একবার দেখে ফেলে রাখার কোর্স নয়। কেনার পর আপনি আমাদের প্রাইভেট ফেসবুক গ্রুপে যুক্ত হবেন — আর মূল কনটেন্টগুলো সেখানেই নিয়মিত ভিডিও আকারে আসতে থাকবে।
নিয়মিত ভিডিও
নতুন কাজের সুযোগ, টুল, আর আয়ের পথ নিয়ে ব্যাখ্যা — বইয়ের ভাষায় নয়, বাস্তবে যা কাজ করছে সেটাই।
খোলামেলা আলোচনা
প্রশ্ন করা যাবে, আটকে গেলে জানানো যাবে, আর যে যা শিখছে সেটা সবার সাথে শেয়ার করা যাবে।
লাইফটাইম অ্যাক্সেস
একবার ঢুকলে আর বেরোতে হবে না। সামনে যত কনটেন্ট যোগ হবে, সবই আপনি পাবেন।
সৎভাবে একটা কথা বলে রাখি
এই কমিউনিটিটি একদম নতুন করে শুরু হচ্ছে — তাই এখানে হাজার হাজার সদস্যের ভিড় বা কয়েকশো ভিডিওর লাইব্রেরি এখনই পাবেন না। যা পাবেন তা হলো শুরু থেকে সাথে থাকার সুযোগ, আর সরাসরি প্রশ্ন করার মতো একটা ছোট ও সক্রিয় জায়গা। বড় হওয়ার আগেই যাঁরা যুক্ত হন, তাঁরা সবচেয়ে বেশি সময় ও মনোযোগ পান।
০৪ — রিসেল
নিজে প্রোডাক্ট না বানিয়েও বিক্রি করে আয়
আয়ের সবচেয়ে সহজ ধাপটা হলো — এমন কিছু বিক্রি করা যা আগে থেকেই তৈরি। আপনাকে কোনো প্রোডাক্ট বানাতে হবে না, সার্ভিস ডেলিভারির ঝক্কিও পোহাতে হবে না। আমাদের নিজস্ব প্ল্যাটফর্মগুলোই সেই রেডি সাপ্লাই দেয়, আর আপনি থাকেন বিক্রির জায়গায়।
রিসোর্স ও প্ল্যাটফর্ম
যে প্ল্যাটফর্মগুলো কাজে লাগিয়ে আয় বাড়াবেন
একবার কিছু ক্লায়েন্ট বা ফলোয়ার তৈরি হয়ে গেলে তাঁদের কাছে ফিজিক্যাল ও ডিজিটাল — দুই ধরনের প্রোডাক্ট ও সার্ভিসই অফার করা যায়। আমাদের এই প্ল্যাটফর্মগুলো সেই সুযোগটাই আপনার হাতে তুলে দেয়।
ডিজিটাল কার্ড, বুকিং ও ওয়েবসাইট
NFC ডিজিটাল বিজনেস কার্ড, অনলাইন বুকিং সফটওয়্যার, যেকোনো ব্যবসার জন্য রেসপন্সিভ ওয়েবসাইট বিল্ডার এবং ই-কমার্সের জন্য ল্যান্ডিং পেজ — লোকাল ক্লায়েন্টের কাছে বিক্রি করার মতো সম্পূর্ণ রেডি সল্যুশন।
vigit.me →ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটপ্লেস
বাংলাদেশের ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটপ্লেস। ক্লায়েন্টের ব্র্যান্ডকে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সাথে যুক্ত করে প্রমোশন ক্যাম্পেইন চালাতে পারবেন — লোকাল ব্যবসার জন্য একদম নতুন একটি সার্ভিস।
ajgubi.com →
ডিজিটাল প্রোডাক্ট ও প্রিন্ট
কাস্টম প্যাকেজিং, ব্র্যান্ডিং ম্যাটেরিয়াল, ভিডিও অ্যাড ও ডিজিটাল প্রোডাক্ট — হাই-ডিমান্ড সার্ভিসগুলোর রেডি সাপ্লাই।
digitalmarket.com.bd →এরপর কী
প্রথম কাজটা শেষ হলে যা হাতে থাকে
যেকোনো একটি মডেল ধরে প্রথম কাজটা নামিয়ে ফেলার পর আপনার হাতে এমন তিনটি জিনিস থাকবে, যা শুরুর দিনে ছিল না। আসল সম্পদ এই তিনটিই।
চেনা-জানা একটা নেটওয়ার্ক
এলাকার ১০–১২ জন ব্যবসায়ী, যাঁরা আপনাকে নাম ধরে চেনেন এবং একবার আপনার সাথে লেনদেন করেছেন।
দেখানোর মতো একটা কাজ
একটি সম্পন্ন কাজের রেকর্ড — পরের ক্লায়েন্টের সামনে এটাই আপনার পোর্টফোলিও।
সামনে বসে কথা বলার সাহস
সবচেয়ে দামি জিনিসটা — অপরিচিত একজন ব্যবসায়ীর সামনে বসে নিজের প্রস্তাব রাখতে পারার কনফিডেন্স।
এই তিনটা থাকলে সামনে যে পথগুলো খোলে
- নিজের এলাকায় নিয়মিত কাজ — একই ক্লায়েন্টদের কাছে বারবার সার্ভিস, প্রতিবার নতুন করে ক্লায়েন্ট খোঁজার ঝামেলা ছাড়াই।
- আমাদের প্ল্যাটফর্মের প্রোডাক্ট রিসেল — উপরের তিনটি প্রজেক্টের ডিজিটাল ও ফিজিক্যাল সল্যুশন নিজের ক্লায়েন্টদের কাছে অফার করা।
- আমাদের টিমে মাঠপর্যায়ের মার্কেটার — vigit.me আমাদের নিজস্ব প্রজেক্ট, যেখানে সময়ে সময়ে মার্কেটার নেওয়া হয়। কাজটা হলো লোকাল রেস্টুরেন্ট ও দোকানে গিয়ে ডিজিটাল মেনু ও QR স্ট্যান্ড অনবোর্ড করা — অর্থাৎ ঠিক সেই স্কিলগুলোই, যেগুলো এখানে প্র্যাকটিস করবেন।
স্পষ্ট করে বলি: কোর্সটি কিনলেই আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আমাদের মার্কেটার হয়ে যাবেন না। মার্কেটার আমরা বাছাই করে নিই এবং নিয়োগের নিজস্ব শর্ত ও কাগজপত্রের প্রক্রিয়া আছে। তবে সাপোর্ট গ্রুপে যাঁরা সক্রিয় থাকেন ও নিজের ক্যাম্পেইনের কাজ দেখাতে পারেন, সুযোগ তৈরি হলে আগে তাঁদের কথাই বিবেচনা করা হয়।
কাদের জন্য
যে কারও জন্য — তবে সবচেয়ে ভালো কাজ করে তিন শ্রেণির ক্ষেত্রে
শিক্ষার্থী
পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের খরচ চালানো ও বাস্তব ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা নেওয়ার জন্য।
তরুণ চাকরিপ্রার্থী
চাকরির অপেক্ষায় বসে না থেকে নিজের এলাকাতেই আয়ের একটি পথ তৈরি করার জন্য।
চাকরিজীবী
চাকরি না ছেড়ে, পার্ট টাইমে একটি বাড়তি আয়ের উৎস গড়ার জন্য।
বয়স, ডিগ্রি বা আগের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা — কোনোটিই এখানে বাধ্যতামূলক নয়। যা দরকার তা হলো মানুষের সাথে কথা বলার আগ্রহ এবং নিয়মিত সময় দেওয়ার মানসিকতা।
মেন্টর
এই প্রজেক্টের পেছনে কে
আবু নাছের
গত ১৫+ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতায় আবু নাছের বুঝেছেন — শুধু স্কিল নয়, আয় করার সিস্টেম জানতে হয়। ফ্রিল্যান্সিং থেকে শুরু করে একাধিক ডিজিটাল ব্যবসা গড়ে তোলার এই যাত্রায় তিনি কাজ করেছেন দেশি-বিদেশি রিয়েল ক্লায়েন্ট ও রিয়েল মার্কেট নিয়ে। Creative Clan-এর মাধ্যমে তৈরি হয়েছে একটি অ্যাক্টিভ আর্নিং কমিউনিটি। সেই বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই এসেছে অদম্য উদ্যোক্তা প্রজেক্ট — যেখানে শেখা মানেই আয়ের পথে এগিয়ে যাওয়া।
এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ক্লায়েন্টদের সাথে কাজ করেছেন। যাচাই করতে চাইলে Upwork-এ “Abu Naser” সার্চ করে দেখতে পারেন — ঘণ্টাপ্রতি $৫০ রেটের রিকারিং জব এখনো চলমান। ২০২৩ সালে সেই আরামের জায়গা থেকে সরে এসে তিনি নিজের প্রজেক্টে সময় দেওয়া শুরু করেন। আজ তাঁর নিজের গড়া ও পরিচালিত পাঁচটি চালু প্রজেক্ট:
- vigit.me — NFC ডিজিটাল বিজনেস কার্ড, অনলাইন বুকিং ও ওয়েবসাইট বিল্ডার
- ajgubi.com — বাংলাদেশের ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটপ্লেস
- digitalmarket.com.bd — ডিজিটাল প্রোডাক্ট, প্যাকেজিং ও প্রিন্ট
- graphicreserve.com — লোকাল বিজনেসের জন্য ক্যানভা টেমপ্লেট ও ওয়েবসাইট কিটের মার্কেটপ্লেস
- crm.9x12agency.com — যুক্তরাষ্ট্রের মার্কেটিং এজেন্সিদের জন্য তৈরি CRM সফটওয়্যার
শেষের নামটির দিকে একটু খেয়াল করুন — ওটি যুক্তরাষ্ট্রের মার্কেটিং এজেন্সিদের জন্য তৈরি একটি সফটওয়্যার, যেটি প্রতিদিন সেখানকার ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করছেন। অর্থাৎ এখানে যা শেখানো হয়, তা কোনো তাত্ত্বিক ধারণা নয় — উন্নত দেশের বাজারে বাস্তবে যা কাজ করে, সেটাই বাংলাদেশের বাস্তবতায় নামিয়ে আনা।
এখানে যা কিছু শেখানো হয় — মডেল, টেমপ্লেট, স্ক্রিপ্ট, কৌশল — সবই তাঁর নিজের হাতে করা কাজ থেকে এসেছে। কোনোটাই বই থেকে নেওয়া নয়।
জয়েন করুন
শুরু থেকেই কমিউনিটির সাথে থাকুন
সাথে যা যা পাচ্ছেন
- অদম্য উদ্যোক্তা প্রজেক্ট ইবুক — সম্পূর্ণ বিজনেস মডেল
- ২ ঘণ্টার ভিডিও কোর্স — স্টেপ-বাই-স্টেপ প্র্যাক্টিক্যাল গাইড
- ১০০+ বিজ্ঞাপন টেমপ্লেট — ইলাস্ট্রেটর ও ক্যানভা ফাইল
- ৫+ মার্কেটিং ফ্লায়ার টেমপ্লেট — ইলাস্ট্রেটর ও ক্যানভা
- বিজনেস অফার লেটার টেমপ্লেট — ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের রেডি স্ক্রিপ্টসহ
- রিয়েল স্যাম্পল ফ্লায়ার — কুরিয়ারে পাঠানো হবে, চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি
- ইলাস্ট্রেটর ইজি (এসেনশিয়াল কোর্স)
৳৪৯৯ - ফটোশপ প্রো (ডিজাইন কোর্স)
৳১,০০০ - রিসেল করার মতো লাভজনক প্রোডাক্ট লিস্টিং
- ফেসবুক সিক্রেট গ্রুপ — পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং, সেলস ও গ্রোথ নিয়ে নিয়মিত টিউটোরিয়াল, চলমান ক্যাম্পেইনের ভেতরের হিসাব ও লাইফটাইম সাপোর্ট
জিজ্ঞাসা ও উত্তর
যে প্রশ্নগুলো সবাই করেন
সত্যিই কি পুঁজি লাগবে না?
বড় কোনো পুঁজি লাগবে না — তবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যেও নয়, সেটা স্পষ্ট করে বলি।
শুরু করতে আপনার লাগবে ৯৯৯ টাকা (ইবুক, ভিডিও কোর্স, টেমপ্লেট ও সাপোর্ট গ্রুপ অ্যাক্সেস), আর স্যাম্পল ও অফার লেটার প্রিন্ট করতে আনুমানিক ১০০–১৫০ টাকা।
ক্যাম্পেইনের মূল খরচ (প্রিন্টিং, ডিজাইন) সাধারণত ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে নেওয়া অগ্রিম দিয়েই সমন্বয় করা হয় — এ কারণেই বড় পুঁজি ছাড়া শুরু করা সম্ভব। তবে ক্লায়েন্ট জোগাড় করতে আপনাকে সময় ও পরিশ্রম দিতে হবে।
আমি তো কখনো কিছু বিক্রি করিনি — আমাকে দিয়ে হবে?
প্রায় সবাই এখান থেকেই শুরু করেন। একটা কথা মাথায় রাখলে অস্বস্তিটা অনেক কমে যায় — আপনি কারও কাছে কিছু চাইতে যাচ্ছেন না। আপনি একটা প্রস্তাব নিয়ে যাচ্ছেন, যেটা তাঁর নিজের প্রচার খরচ কমায়।
আর খালি হাতে যেতে হবে না। সাথে থাকবে রেডি অফার লেটার, ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের স্ক্রিপ্ট এবং ছাপানো স্যাম্পল ফ্লায়ার — কী বলে শুরু করবেন, কীভাবে দাম বলবেন, আপত্তি এলে কী উত্তর দেবেন, সব ধরিয়ে দেওয়া আছে। প্রথম দুই-তিনটি মিটিংয়ে হাত-পা ঠান্ডা লাগবে; চার নম্বর থেকে সহজ হয়ে আসে — এটা প্রায় সবার ক্ষেত্রেই হয়।
আটকে গেলে সাপোর্ট গ্রুপে জিজ্ঞেস করবেন। যাঁরা আগে করেছেন, তাঁরাও সেখানে আছেন।
এখানে যা শেখানো হয়, তার বেশিরভাগই স্কিল নয় — সিস্টেম। কোন কাজের চাহিদা আছে সেটা চেনা, নিজেকে সেভাবে উপস্থাপন করা, আর রেডি প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রি করা। এর কোনোটার জন্যই আগে থেকে বড় কোনো টেকনিক্যাল দক্ষতা লাগে না।
আর যেটুকু টেকনিক্যাল কাজ লাগে, আজকাল AI দিয়েই বেশিরভাগটা নামিয়ে ফেলা যায়। আপনার দরকার নিয়মিত সময় দেওয়ার মানসিকতা আর মানুষের সাথে কথা বলার আগ্রহ।
পার্থক্যটা কনটেন্টে। সাধারণ গ্রুপে মানুষ প্রশ্ন করে আর উত্তরের অপেক্ষায় থাকে। এখানে মূল কাজটা করি আমি — নিয়মিত ভিডিওতে ব্যাখ্যা করি কোন কাজের চাহিদা তৈরি হচ্ছে, কোন টুল আসলে কাজে লাগছে, আর সেখান থেকে আয় করার পথটা কী।
তার ওপর আলোচনা হয়, কে কোথায় আটকাচ্ছে সেটা উঠে আসে, আর যে যা শিখছে সবাই জানতে পারে। গ্রুপটি নতুন — তাই এখনই বড় লাইব্রেরি পাবেন না, কিন্তু শুরু থেকে থাকার সুবিধাটা পাবেন।
শুধু ই-বুক? কোর্স ভিডিও আকারে নেই?
না, শুধু ইবুক নয়। আপনি পাচ্ছেন দুটোই — সম্পূর্ণ ইবুক এবং প্রায় ২ ঘণ্টার ভিডিও কোর্স।
যাঁরা পড়ে শিখতে স্বচ্ছন্দ, তাঁদের জন্য ইবুক; আর যাঁরা দেখে শিখতে পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য স্টেপ-বাই-স্টেপ ভিডিও। এর সাথে থাকছে রেডি ডিজাইন টেমপ্লেট, অফার লেটার ও ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের স্ক্রিপ্ট এবং ফেসবুক সাপোর্ট গ্রুপে লাইফটাইম অ্যাক্সেস।
ছাত্র না হলে আমি করতে পারবো?
হ্যাঁ, অবশ্যই। এই মডেলটি যে কারও জন্য — তবে বাস্তবে এটি সবচেয়ে ভালো কাজ করে তিন ধরনের মানুষের ক্ষেত্রে:
- শিক্ষার্থী — পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের খরচ চালানো ও বাস্তব অভিজ্ঞতা নেওয়ার জন্য।
- তরুণ চাকরিপ্রার্থী — চাকরির অপেক্ষায় বসে না থেকে নিজের এলাকাতেই আয়ের পথ তৈরি করার জন্য।
- চাকরিজীবী — চাকরি না ছেড়ে পার্ট টাইমে বাড়তি আয়ের উৎস গড়ার জন্য।
বয়স, ডিগ্রি বা আগের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা — কোনোটিই বাধ্যতামূলক নয়।
নারীরা করতে পারবে?
হ্যাঁ, অবশ্যই পারবে। এই সিস্টেমে নারীরাও কাজ করতে পারেন।
তবে কিছু ক্ষেত্রে বাইরে গিয়ে লোকাল বিজনেসের সাথে যোগাযোগ করতে হতে পারে — তাই উপজেলা বা পৌরসভা সদরের মতো এলাকায় থাকলে কাজটা সহজ হয়। সরাসরি কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করলে নিজের টিমের মাধ্যমে বা বিকল্পভাবে কাজ করার সুযোগও রয়েছে।
গ্রামে থেকে সম্ভব?
দেশের যেকোনো জনপদ থেকেই সম্ভব — যেখানে যথেষ্ট মানুষ আছে, ব্যবসা আছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে।
এটা কি ফ্রিল্যান্সিং?
না, এটি ফ্রিল্যান্সিং নয়।
ফ্রিল্যান্সিংয়ে আপনি নিজের সময় ঘণ্টা হিসেবে বিক্রি করেন, আর কাজ পেতে হয় বিদেশি মার্কেটপ্লেসে প্রতিযোগিতা করে — সেখানে ইংরেজি ও নির্দিষ্ট স্কিল লাগে।
এখানে আপনি নিজের এলাকার ব্যবসায়ীদের সাথে সরাসরি কাজ করছেন — বাংলায়, নিজের পরিচিত জায়গায়। আপনি নিজে ডিজাইন বা প্রিন্টিং করছেন না; আপনি কয়েকটি ব্যবসাকে এক ক্যাম্পেইনে যুক্ত করে খরচ ভাগ করে দিচ্ছেন, আর সেই আয়োজনের বিনিময়ে আয় করছেন।
পড়াশোনার সাথে সম্ভব?
হ্যাঁ, সম্ভব — এবং এভাবেই শুরু করাটা সবচেয়ে নিরাপদ।
একটি ক্যাম্পেইনের মূল কাজ কয়েক সপ্তাহে ছড়িয়ে থাকে: ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলা, ডিজাইন চূড়ান্ত করা, প্রিন্ট ও বিতরণের ব্যবস্থা করা। দিনে ১–২ ঘণ্টা নিয়মিত সময় দিলেই চালিয়ে নেওয়া যায়।
আমাদের পরামর্শ — পড়াশোনা বা চাকরি ছেড়ে দেবেন না। এটি পাশাপাশি চালান, আয় আসতে শুরু করলে তখন সিদ্ধান্ত নিন।
AI যখন সব করে দিচ্ছে, এই কাজটা কি টিকবে?
এই কাজের যেটুকু অংশ AI করে দিতে পারে — ডিজাইন, কপি লেখা, লেআউট সাজানো — সেটুকু আমরা AI দিয়েই করাতে বলি। তাতে আপনার সময় বাঁচে, খরচ কমে।
কিন্তু কাজের যে অংশটা আসল — এলাকার ব্যবসায়ীর সাথে সম্পর্ক তৈরি করা, তাঁকে বুঝিয়ে রাজি করানো, টাকার কথা বলা, দেওয়া কথা রাখা — সেটা কোনো টুল আপনার হয়ে করে দেবে না। এই মডেলটা ঠিক সেই জায়গাতেই দাঁড়ানো, যেখানে AI পৌঁছায় না।
কোর্স কিনলেই কি vigit.me-এর মার্কেটার হওয়া যায়?
না, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নয় — এটা পরিষ্কার করে বলা দরকার। vigit.me-তে মার্কেটার নেওয়া হয় বাছাই করে, সীমিত সংখ্যায়, এবং নিয়োগের নিজস্ব শর্ত ও কাগজপত্রের প্রক্রিয়া আছে। কোর্সের ফি এই নিয়োগের কোনো নিশ্চয়তা নয়।
তবে এখানে আপনি যে কাজগুলো প্র্যাকটিস করবেন — লোকাল ব্যবসায় গিয়ে কথা বলা, প্রস্তাব দেওয়া, ফলো-আপ করা — মার্কেটারের কাজও ঠিক তাই। তাই সুযোগ তৈরি হলে সাপোর্ট গ্রুপের সক্রিয় এবং নিজের কাজ দেখাতে পারা সদস্যদের কথাই আগে বিবেচনা করা হয়।
সাপোর্ট গ্রুপে আসলে কী পাওয়া যায়?
গ্রুপটাকে কোর্সের পরের অংশ হিসেবে ভাবুন — ভিডিও শেষ হলে আসল কাজ সেখানেই শুরু হয়।
নিয়মিত পোস্ট হয় পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং, সেলস ও গ্রোথ নিয়ে টিউটোরিয়াল; চলমান ক্যাম্পেইনের ভেতরের হিসাব — কোথায় কত খরচ হলো, কোন কথাটা কাজে লাগল, কোন ভুলটা হলো; আর নতুন প্রোডাক্ট বা কাজের সুযোগের ঘোষণা।
অ্যাক্সেস লাইফটাইম, আর পেমেন্টের সাথে সাথেই গ্রুপের লিংক পেয়ে যাবেন।
নাম পরিবর্তন করা হলো কেন?
এই বিজনেস মডেলটি শুধুমাত্র ছাত্রদের জন্য সীমাবদ্ধ নয়। শুরুতে আমরা ছাত্রদের কথা ভেবেই “অদম্য ছাত্রজীবন প্রজেক্ট” নামটি দিয়েছিলাম, কিন্তু বাস্তবে দেখেছি — চাকরিজীবী, ফ্রিল্যান্সার, গৃহিণীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষও সমানভাবে এই মডেলটি অনুসরণ করতে পারছেন।
তাই সবার জন্য আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক একটি পরিচয় দিতে নামটি পরিবর্তন করে “অদম্য উদ্যোক্তা প্রজেক্ট” করা হয়েছে।
আজই কমিউনিটিতে যুক্ত হোন
AI যুগে পিছিয়ে না পড়ে নিজের জায়গা তৈরি করার জন্য — একা নয়, একসাথে।
৯৯৯ টাকায় ইনস্ট্যান্ট অ্যাক্সেস