নিজের এলাকাতেই গড়ে তুলুন একটি প্রফিটেবল এজেন্সি বিজনেস!
কোনো বড় ব্যক্তিগত ইনভেস্টমেন্ট বা বিজনেস রিস্ক ছাড়াই!
শুরু করার আগে এই ভিডিওটি দেখুন
আপনার এলাকার লোকাল বিজনেসগুলো নিজেদের প্রচার বাড়াতে ও স্কেল করতে চায় — কিন্তু একা বিপুল খরচের কারণে প্রফেশনাল ব্র্যান্ডিং করতে পারে না। আপনি ঠিক এই সুযোগটি নেবেন! একাধিক ব্যবসাকে একটি যৌথ ক্যাম্পেইনে যুক্ত করে তাদের বিজ্ঞাপনী খরচ ৫ ভাগের ১ ভাগে নামিয়ে আনবেন, আর এই স্মার্ট আয়োজনের বিনিময়ে জেনারেট করবেন আকর্ষণীয় কমিশন ও হ্যান্ডসাম প্রফিট।
৭ দিনের মানিব্যাক গ্যারান্টি · কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা লাগে না · দিনে ১–২ ঘণ্টা
হাজীগঞ্জে আমাদের সম্পন্ন করা একটি ক্যাম্পেইন
ক্যাম্পেইনের সম্পূর্ণ আয়-ব্যয়ের হিসাব ও ছবি নিচের কেস স্টাডি অংশে সংরক্ষিত আছে।
কেন এই স্কিল, কেন এখন
AI অনেক কাজ করে দিচ্ছে — কিন্তু বিক্রিটা করে দিচ্ছে না
যিনি কোনোদিন ইলাস্ট্রেটর খোলেননি, তিনিও আজ AI-কে কমান্ড দিয়ে প্রফেশনাল মানের ডিজাইন বানিয়ে ফেলছেন। যে কাজে আগে কয়েকজন লাগত, এখন একজনই সামলে নিচ্ছেন। শুধু টেকনিক্যাল স্কিলের ওপর ভরসা করে বসে থাকাটা তাই আগের মতো নিরাপদ নেই।
টুল বদলায়, স্কিলটা থাকে
একজন মানুষকে বুঝিয়ে, আস্থা তৈরি করে “হ্যাঁ” আদায় করা — এই কাজটা কোনো সফটওয়্যার আপনার হয়ে করে দেয় না।
স্কিল থাকলেই যথেষ্ট নয়
নিজের কাজটা কাস্টমারের কাছে তুলে ধরতে না পারলে, কম দক্ষ একজন মানুষও আপনাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যান।
শেখার একমাত্র উপায় করা
সেলস বই পড়ে হয় না। কয়েকবার বাস্তবে করলে তবেই হয় — আর সেই “কয়েকবার”-এর ব্যবস্থাটাই এই ট্রেনিং।
এ কারণেই আমরা আপনাকে থিওরি ধরিয়ে দিই না। ধরিয়ে দিই একটি নির্দিষ্ট, ছোট ও কম-ঝুঁকির ক্যাম্পেইন — যেটা চালাতে গিয়ে আপনি বাস্তবে ক্লায়েন্টের সামনে গিয়ে বসেন। যে দোকানে আগে সাধারণ কাস্টমার হিসেবে যেতেন, এবার সেখানেই যাবেন একজন সলিউশন প্রোভাইডার হয়ে — অনুকম্পা চাইতে নয়, তাঁর ব্যবসার প্রচারটা আধুনিক করে দিতে।
সুযোগটা কোথায়
প্রতিটি এলাকায় একই সমস্যা
- ছোট ব্যবসাগুলো প্রচার করতে চায়, কিন্তু একা ফ্লায়ার-ব্যানারের পুরো খরচ টানতে পারে না।
- একটি ফ্লায়ারে একটিমাত্র অফার থাকলে মানুষ সেটা হাতেই নেয় না।
- বড় এজেন্সিগুলো ছোট শহর বা গ্রামের এই ব্যবসাগুলোকে সেবা দেয় না।
সমাধান: খরচটা ভাগ করে দিন
একটি A4 ফ্লায়ারের দুই পাশে ৬টি করে মোট ১২টি বিজ্ঞাপনী স্পট। ১২টি ব্যবসা মিলে খরচ ভাগ করে নেয়, ফলে প্রত্যেকের খরচ কমে যায় — আর একসাথে ১০–১২টি অফার থাকায় সাধারণ মানুষ ফ্লায়ারটি হাতে নেয়, পড়ে। আপনি এই পুরো আয়োজনটি করেন, এবং খরচ বাদ দিয়ে বাকিটা আপনার প্রফিট।
কীভাবে কাজ করে
একটি ক্যাম্পেইন, চারটি ধাপ
পুরো কাজটা মূলত যোগাযোগ ও আয়োজনের। আপনি নিজে ডিজাইন বা প্রিন্টিং করছেন না — আপনি ব্যবসাগুলোকে এক জায়গায় আনছেন।
ব্যবসায়ী খুঁজুন
নিজের এলাকার ১০–১২টি লোকাল বিজনেস বাছাই করুন — ডাক্তার, পার্লার, কোচিং, গিফট শপ, ট্রাভেল এজেন্সি।
অফার লেটার দিন
রেডি অফার লেটার ও স্ক্রিপ্ট নিয়ে যান। স্পট বুক করে অগ্রিম ফি সংগ্রহ করুন।
ডিজাইন ও প্রিন্ট
রেডি টেমপ্লেট থেকে ডিজাইন তৈরি করুন, লোকাল প্রেসে প্রিন্ট করান।
বিতরণ ও প্রফিট
ঘরে ঘরে বিতরণ করুন, ফেসবুকেও প্রচার করুন। খরচ বাদ দিয়ে বাকিটা আপনার।
১ম ধাপ
শেয়ার্ড-কস্ট ফ্লায়ার ক্যাম্পেইন
এই প্রাথমিক ধাপে আপনি একটি শেয়ার্ড ফ্লায়ার মার্কেটিং ক্যাম্পেইন রান করবেন, যার মাধ্যমে লোকাল বিজনেস কমিউনিটির সাথে সরাসরি পরিচিত হবেন। এই ধাপ থেকে আপনার তিনটি বড় লাভ হবে।
প্র্যাক্টিক্যাল সেলস স্কিল
বাস্তবে ক্লায়েন্ট হ্যান্ডেল করার কনফিডেন্স তৈরি হবে।
স্ট্রং লোকাল নেটওয়ার্ক
এলাকার শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সাথে দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক গড়ে উঠবে।
এরিয়া মার্কেটিং এক্সপার্ট
আপনার এলাকায় সবাই আপনাকে প্রফেশনাল এজেন্সি ওনার হিসেবে চিনবে।
রিয়েল কেস স্টাডি
হাজীগঞ্জ — “এক সাথে ১২টা অফার”
হাজীগঞ্জে আমরা নিজেরা একটি সম্পূর্ণ শেয়ার্ড-কস্ট ফ্লায়ার ক্যাম্পেইন সম্পন্ন করেছি — ১২টি স্থানীয় ব্যবসা, ৪,০০০ ফ্লায়ার। ছাপানো ফ্লায়ারের ছবি এবং প্রতিটি টাকার আয়-ব্যয়ের পূর্ণ হিসাব আমরা খুলে দিয়েছি — কিছুই লুকানো নেই।
সম্পূর্ণ কেস স্টাডি দেখতে পরের ধাপে যান
শুধু নাম ও ইমেইল দিন — এই পেজেই সাথে সাথে খুলে যাবে ক্যাম্পেইনের আসল আয়, প্রতিটি খরচের ভাঙানো হিসাব এবং ছাপানো ফ্লায়ারের ছবি। কোনো অপেক্ষা নেই।
আপনার তথ্য শুধু এই কেস স্টাডি ও প্রজেক্ট সংক্রান্ত আপডেটের জন্য ব্যবহার করা হবে। যেকোনো সময় আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।
✔ কেস স্টাডি আনলক হয়েছে
ক্যাম্পেইন হিসাব
✓ সম্পন্নডিসক্লেইমার: উপরের সংখ্যাগুলো আমাদের সম্পন্ন করা একটি নির্দিষ্ট ক্যাম্পেইনের বাস্তব ফলাফল। এটি কোনো নির্দিষ্ট আয়ের গ্যারান্টি নয়। এলাকা, জনসংখ্যা, আপনার পরিশ্রম ও দক্ষতার ওপর ফলাফল নির্ভর করবে — কারও কারও ক্ষেত্রে ফলাফল কম হতে পারে বা নাও আসতে পারে। ব্যবসায়ে লাভ ও ঝুঁকি দুটোই বিদ্যমান, তাই সঠিক প্রচেষ্টাই মূল চাবিকাঠি।
২য় ধাপ
ক্লায়েন্ট একবার, ইনকাম বারবার
ফ্লায়ার ক্যাম্পেইন করতে গিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে আপনার একটি বিশাল নেটওয়ার্ক ও স্ট্রং ট্রাস্ট তৈরি হয়ে যাবে। এরপর তাদের বিজনেসের সেলস বাড়াতে যে সার্ভিসগুলো লাগে, তার সবকিছুই আপনি অফার করতে পারবেন — আর আপনাকে কোনো সার্ভিস তৈরি বা ডেলিভারি করার ঝক্কি পোহাতে হবে না।
রিসোর্স ও প্ল্যাটফর্ম
যে প্ল্যাটফর্মগুলো কাজে লাগিয়ে আয় বাড়াবেন
ফ্লায়ার ক্যাম্পেইন কেবল শুরু। এলাকায় একবার নেটওয়ার্ক তৈরি হয়ে গেলে সেই একই ক্লায়েন্টদের কাছে আপনি ফিজিক্যাল ও ডিজিটাল — দুই ধরনের প্রোডাক্ট ও সার্ভিসই অফার করতে পারবেন। আমাদের নিজস্ব এই প্ল্যাটফর্মগুলো সেই সুযোগটাই আপনার হাতে তুলে দেয়, যাতে প্রতিটি ক্লায়েন্ট থেকে আপনার আয় সর্বোচ্চ করতে পারেন।
ডিজিটাল কার্ড, বুকিং ও ওয়েবসাইট
NFC ডিজিটাল বিজনেস কার্ড, অনলাইন বুকিং সফটওয়্যার, যেকোনো ব্যবসার জন্য রেসপন্সিভ ওয়েবসাইট বিল্ডার এবং ই-কমার্সের জন্য ল্যান্ডিং পেজ — লোকাল ক্লায়েন্টের কাছে বিক্রি করার মতো সম্পূর্ণ রেডি সল্যুশন।
vigit.me →ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটপ্লেস
বাংলাদেশের ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটপ্লেস। ক্লায়েন্টের ব্র্যান্ডকে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সাথে যুক্ত করে প্রমোশন ক্যাম্পেইন চালাতে পারবেন — লোকাল ব্যবসার জন্য একদম নতুন একটি সার্ভিস।
ajgubi.com →
ডিজিটাল প্রোডাক্ট ও প্রিন্ট
কাস্টম প্যাকেজিং, ব্র্যান্ডিং ম্যাটেরিয়াল, ভিডিও অ্যাড ও ডিজিটাল প্রোডাক্ট — হাই-ডিমান্ড সার্ভিসগুলোর রেডি সাপ্লাই।
digitalmarket.com.bd →এরপর কী
ফ্লায়ার ক্যাম্পেইন গন্তব্য নয় — এটা শুরুর ধাপ
একটা ক্যাম্পেইন শেষ করার পর আপনার হাতে এমন তিনটি জিনিস থাকবে, যা কোর্স শুরুর দিনে ছিল না। আসল সম্পদ এই তিনটিই।
চেনা-জানা একটা নেটওয়ার্ক
এলাকার ১০–১২ জন ব্যবসায়ী, যাঁরা আপনাকে নাম ধরে চেনেন এবং একবার আপনার সাথে লেনদেন করেছেন।
দেখানোর মতো একটা কাজ
একটি সম্পন্ন ক্যাম্পেইনের রেকর্ড — পরের ক্লায়েন্টের সামনে এটাই আপনার পোর্টফোলিও।
সামনে বসে কথা বলার সাহস
সবচেয়ে দামি জিনিসটা — অপরিচিত একজন ব্যবসায়ীর সামনে বসে নিজের প্রস্তাব রাখতে পারার কনফিডেন্স।
এই তিনটা থাকলে সামনে যে পথগুলো খোলে
- নিজের এলাকায় নিয়মিত এজেন্সি কাজ — একই ক্লায়েন্টদের কাছে বারবার সার্ভিস, প্রতিবার নতুন করে ক্লায়েন্ট খোঁজার ঝামেলা ছাড়াই।
- আমাদের প্ল্যাটফর্মের প্রোডাক্ট রিসেল — উপরের তিনটি প্রজেক্টের ডিজিটাল ও ফিজিক্যাল সল্যুশন নিজের ক্লায়েন্টদের কাছে অফার করা।
- আমাদের টিমে মাঠপর্যায়ের মার্কেটার — vigit.me আমাদের নিজস্ব প্রজেক্ট, যেখানে সময়ে সময়ে মার্কেটার নেওয়া হয়। কাজটা হলো লোকাল রেস্টুরেন্ট ও দোকানে গিয়ে ডিজিটাল মেনু ও QR স্ট্যান্ড অনবোর্ড করা — অর্থাৎ ঠিক সেই স্কিলটাই, যেটা আপনি ফ্লায়ার ক্যাম্পেইনে প্র্যাকটিস করেছেন।
স্পষ্ট করে বলি: কোর্সটি কিনলেই আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আমাদের মার্কেটার হয়ে যাবেন না। মার্কেটার আমরা বাছাই করে নিই এবং নিয়োগের নিজস্ব শর্ত ও কাগজপত্রের প্রক্রিয়া আছে। তবে সাপোর্ট গ্রুপে যাঁরা সক্রিয় থাকেন ও নিজের ক্যাম্পেইনের কাজ দেখাতে পারেন, সুযোগ তৈরি হলে আগে তাঁদের কথাই বিবেচনা করা হয়।
কাদের জন্য
যে কারও জন্য — তবে সবচেয়ে ভালো কাজ করে তিন শ্রেণির ক্ষেত্রে
শিক্ষার্থী
পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের খরচ চালানো ও বাস্তব ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা নেওয়ার জন্য।
তরুণ চাকরিপ্রার্থী
চাকরির অপেক্ষায় বসে না থেকে নিজের এলাকাতেই আয়ের একটি পথ তৈরি করার জন্য।
চাকরিজীবী
চাকরি না ছেড়ে, পার্ট টাইমে একটি বাড়তি আয়ের উৎস গড়ার জন্য।
বয়স, ডিগ্রি বা আগের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা — কোনোটিই এখানে বাধ্যতামূলক নয়। যা দরকার তা হলো মানুষের সাথে কথা বলার আগ্রহ এবং নিয়মিত সময় দেওয়ার মানসিকতা।
মেন্টর
এই প্রজেক্টের পেছনে কে
আবু নাছের
গত ১৫+ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতায় আবু নাছের বুঝেছেন — শুধু স্কিল নয়, আয় করার সিস্টেম জানতে হয়। ফ্রিল্যান্সিং থেকে শুরু করে একাধিক ডিজিটাল ব্যবসা গড়ে তোলার এই যাত্রায় তিনি কাজ করেছেন দেশি-বিদেশি রিয়েল ক্লায়েন্ট ও রিয়েল মার্কেট নিয়ে। Creative Clan-এর মাধ্যমে তৈরি হয়েছে একটি অ্যাক্টিভ আর্নিং কমিউনিটি। সেই বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই এসেছে অদম্য উদ্যোক্তা প্রজেক্ট — যেখানে শেখা মানেই আয়ের পথে এগিয়ে যাওয়া।
এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ক্লায়েন্টদের সাথে কাজ করেছেন। যাচাই করতে চাইলে Upwork-এ “Abu Naser” সার্চ করে দেখতে পারেন — ঘণ্টাপ্রতি $৫০ রেটের রিকারিং জব এখনো চলমান। ২০২৩ সালে সেই আরামের জায়গা থেকে সরে এসে তিনি নিজের প্রজেক্টে সময় দেওয়া শুরু করেন। আজ তাঁর নিজের গড়া ও পরিচালিত পাঁচটি চালু প্রজেক্ট:
- vigit.me — NFC ডিজিটাল বিজনেস কার্ড, অনলাইন বুকিং ও ওয়েবসাইট বিল্ডার
- ajgubi.com — বাংলাদেশের ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটপ্লেস
- digitalmarket.com.bd — ডিজিটাল প্রোডাক্ট, প্যাকেজিং ও প্রিন্ট
- graphicreserve.com — লোকাল বিজনেসের জন্য ক্যানভা টেমপ্লেট ও ওয়েবসাইট কিটের মার্কেটপ্লেস
- crm.9x12agency.com — যুক্তরাষ্ট্রের কো-অপ ডিরেক্ট মেইল এজেন্সিদের জন্য তৈরি CRM সফটওয়্যার
শেষের নামটির দিকে একটু খেয়াল করুন। যুক্তরাষ্ট্রে ঠিক এই শেয়ার্ড-কস্ট মডেলেই এজেন্সিগুলো কাজ করে — শুধু ফ্লায়ারের বদলে সেখানে পোস্টকার্ড, আর তাকে বলে কো-অপ ডিরেক্ট মেইল। ওই ইন্ডাস্ট্রির এজেন্সিদের জন্য সফটওয়্যার বানাতে গিয়েই মডেলটা ভেতর থেকে দেখা হয়েছে। অর্থাৎ আপনি যেটা শিখছেন, সেটা বানানো কোনো আইডিয়া নয় — উন্নত দেশে বহু বছর ধরে চলা একটি প্রতিষ্ঠিত ব্যবসার ধরন, বাংলাদেশের বাস্তবতায় নামিয়ে আনা।
এই পেজের সব কিছু — শেয়ার্ড-কস্ট মডেল, হাজীগঞ্জের ক্যাম্পেইন, টেমপ্লেট, অফার লেটার, মিটিংয়ের স্ক্রিপ্ট — তাঁর নিজের হাতে করা কাজ থেকে এসেছে। কোনোটাই বই থেকে নেওয়া নয়।
আমরা এজেন্ট নিচ্ছি
আপনি কি আপনার এরিয়ার এজেন্সি ওনার হবেন?
সাথে যা যা পাচ্ছেন
- অদম্য উদ্যোক্তা প্রজেক্ট ইবুক — সম্পূর্ণ বিজনেস মডেল
- ২ ঘণ্টার ভিডিও কোর্স — স্টেপ-বাই-স্টেপ প্র্যাক্টিক্যাল গাইড
- ১০০+ বিজ্ঞাপন টেমপ্লেট — ইলাস্ট্রেটর ও ক্যানভা ফাইল
- ৫+ মার্কেটিং ফ্লায়ার টেমপ্লেট — ইলাস্ট্রেটর ও ক্যানভা
- বিজনেস অফার লেটার টেমপ্লেট — ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের রেডি স্ক্রিপ্টসহ
- রিয়েল স্যাম্পল ফ্লায়ার — কুরিয়ারে পাঠানো হবে, চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি
- ইলাস্ট্রেটর ইজি (এসেনশিয়াল কোর্স)
৳৪৯৯ - ফটোশপ প্রো (ডিজাইন কোর্স)
৳১,০০০ - রিসেল করার মতো লাভজনক প্রোডাক্ট লিস্টিং
- ফেসবুক সিক্রেট গ্রুপ — পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং, সেলস ও গ্রোথ নিয়ে নিয়মিত টিউটোরিয়াল, চলমান ক্যাম্পেইনের ভেতরের হিসাব ও লাইফটাইম সাপোর্ট
জিজ্ঞাসা ও উত্তর
যে প্রশ্নগুলো সবাই করেন
সত্যিই কি পুঁজি লাগবে না?
বড় কোনো পুঁজি লাগবে না — তবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যেও নয়, সেটা স্পষ্ট করে বলি।
শুরু করতে আপনার লাগবে ৯৯৯ টাকা (ইবুক, ভিডিও কোর্স, টেমপ্লেট ও সাপোর্ট গ্রুপ অ্যাক্সেস), আর স্যাম্পল ও অফার লেটার প্রিন্ট করতে আনুমানিক ১০০–১৫০ টাকা।
ক্যাম্পেইনের মূল খরচ (প্রিন্টিং, ডিজাইন) সাধারণত ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে নেওয়া অগ্রিম দিয়েই সমন্বয় করা হয় — এ কারণেই বড় পুঁজি ছাড়া শুরু করা সম্ভব। তবে ক্লায়েন্ট জোগাড় করতে আপনাকে সময় ও পরিশ্রম দিতে হবে।
আমি তো কখনো কিছু বিক্রি করিনি — আমাকে দিয়ে হবে?
প্রায় সবাই এখান থেকেই শুরু করেন। একটা কথা মাথায় রাখলে অস্বস্তিটা অনেক কমে যায় — আপনি কারও কাছে কিছু চাইতে যাচ্ছেন না। আপনি একটা প্রস্তাব নিয়ে যাচ্ছেন, যেটা তাঁর নিজের প্রচার খরচ কমায়।
আর খালি হাতে যেতে হবে না। সাথে থাকবে রেডি অফার লেটার, ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের স্ক্রিপ্ট এবং ছাপানো স্যাম্পল ফ্লায়ার — কী বলে শুরু করবেন, কীভাবে দাম বলবেন, আপত্তি এলে কী উত্তর দেবেন, সব ধরিয়ে দেওয়া আছে। প্রথম দুই-তিনটি মিটিংয়ে হাত-পা ঠান্ডা লাগবে; চার নম্বর থেকে সহজ হয়ে আসে — এটা প্রায় সবার ক্ষেত্রেই হয়।
আটকে গেলে সাপোর্ট গ্রুপে জিজ্ঞেস করবেন। যাঁরা আগে করেছেন, তাঁরাও সেখানে আছেন।
ক্লায়েন্ট নিজে না করে আমাকে দিয়ে করাবে কেন?
এটাই সবচেয়ে যৌক্তিক প্রশ্ন। একজন ব্যবসায়ী চাইলে নিজেই ২–৩ হাজার টাকা খরচ করে ১,০০০ ফ্লায়ার প্রিন্ট করতে পারেন। তাহলে তিনি আপনাকে টাকা দেবেন কেন?
কারণ আপনি তাঁকে শুধু ১,০০০ ফ্লায়ার দিচ্ছেন না — আপনি দিচ্ছেন ২,০০০–৫,০০০ রিয়েল কাস্টমার এক্সপোজার, যা তিনি একা আয়োজন করতে পারেন না।
আর একটা বড় বিষয় — একটা ফ্লায়ারে শুধু একটা অফার থাকলে মানুষ অনেক সময় গুরুত্ব দেয় না। কিন্তু যখন একসাথে ১০–১২টা লোকাল অফার থাকে, তখন মানুষ সেটা হাতে নেয়, পড়ে — কারণ সবার জন্যই কিছু না কিছু দরকারি থাকে।
শুধু অফলাইন নয় — আপনি তাঁদের ব্যবসাকে আপনার ফেসবুক পেজ বা গ্রুপেও প্রমোট করবেন। অর্থাৎ একটি ক্যাম্পেইনে তাঁরা পাচ্ছেন অফলাইন ফ্লায়ার বিতরণ ও অনলাইন ফেসবুক রিচ — দুটো একসাথে।
এই মডেলে কেউ সফল হয়েছে?
হ্যাঁ। এই মডেলে আমরা নিজেরা গ্রামে ওয়ার্ড পর্যায়ে একটি সম্পূর্ণ ক্যাম্পেইন কমপ্লিট করেছি (হাজীগঞ্জ), এবং থানা পর্যায়ে আমাদের ক্যাম্পেইন চলমান।
পুরো ক্যাম্পেইনের স্ট্র্যাটেজি ও কেস স্টাডি — কীভাবে ক্লায়েন্ট পেয়েছি, কত খরচ হয়েছে, কী কী ভুল করেছি — সবকিছু আমাদের ফেসবুক সাপোর্ট গ্রুপে বিস্তারিত পাবেন।
শুধু ই-বুক? কোর্স ভিডিও আকারে নেই?
না, শুধু ইবুক নয়। আপনি পাচ্ছেন দুটোই — সম্পূর্ণ ইবুক এবং প্রায় ২ ঘণ্টার ভিডিও কোর্স।
যাঁরা পড়ে শিখতে স্বচ্ছন্দ, তাঁদের জন্য ইবুক; আর যাঁরা দেখে শিখতে পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য স্টেপ-বাই-স্টেপ ভিডিও। এর সাথে থাকছে রেডি ডিজাইন টেমপ্লেট, অফার লেটার ও ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের স্ক্রিপ্ট এবং ফেসবুক সাপোর্ট গ্রুপে লাইফটাইম অ্যাক্সেস।
ছাত্র না হলে আমি করতে পারবো?
হ্যাঁ, অবশ্যই। এই মডেলটি যে কারও জন্য — তবে বাস্তবে এটি সবচেয়ে ভালো কাজ করে তিন ধরনের মানুষের ক্ষেত্রে:
- শিক্ষার্থী — পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের খরচ চালানো ও বাস্তব অভিজ্ঞতা নেওয়ার জন্য।
- তরুণ চাকরিপ্রার্থী — চাকরির অপেক্ষায় বসে না থেকে নিজের এলাকাতেই আয়ের পথ তৈরি করার জন্য।
- চাকরিজীবী — চাকরি না ছেড়ে পার্ট টাইমে বাড়তি আয়ের উৎস গড়ার জন্য।
বয়স, ডিগ্রি বা আগের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা — কোনোটিই বাধ্যতামূলক নয়।
নারীরা করতে পারবে?
হ্যাঁ, অবশ্যই পারবে। এই সিস্টেমে নারীরাও কাজ করতে পারেন।
তবে কিছু ক্ষেত্রে বাইরে গিয়ে লোকাল বিজনেসের সাথে যোগাযোগ করতে হতে পারে — তাই উপজেলা বা পৌরসভা সদরের মতো এলাকায় থাকলে কাজটা সহজ হয়। সরাসরি কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করলে নিজের টিমের মাধ্যমে বা বিকল্পভাবে কাজ করার সুযোগও রয়েছে।
গ্রামে থেকে সম্ভব?
দেশের যেকোনো জনপদ থেকেই সম্ভব — যেখানে যথেষ্ট মানুষ আছে, ব্যবসা আছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে।
এটা কি ফ্রিল্যান্সিং?
না, এটি ফ্রিল্যান্সিং নয়।
ফ্রিল্যান্সিংয়ে আপনি নিজের সময় ঘণ্টা হিসেবে বিক্রি করেন, আর কাজ পেতে হয় বিদেশি মার্কেটপ্লেসে প্রতিযোগিতা করে — সেখানে ইংরেজি ও নির্দিষ্ট স্কিল লাগে।
এখানে আপনি নিজের এলাকার ব্যবসায়ীদের সাথে সরাসরি কাজ করছেন — বাংলায়, নিজের পরিচিত জায়গায়। আপনি নিজে ডিজাইন বা প্রিন্টিং করছেন না; আপনি কয়েকটি ব্যবসাকে এক ক্যাম্পেইনে যুক্ত করে খরচ ভাগ করে দিচ্ছেন, আর সেই আয়োজনের বিনিময়ে আয় করছেন।
পড়াশোনার সাথে সম্ভব?
হ্যাঁ, সম্ভব — এবং এভাবেই শুরু করাটা সবচেয়ে নিরাপদ।
একটি ক্যাম্পেইনের মূল কাজ কয়েক সপ্তাহে ছড়িয়ে থাকে: ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলা, ডিজাইন চূড়ান্ত করা, প্রিন্ট ও বিতরণের ব্যবস্থা করা। দিনে ১–২ ঘণ্টা নিয়মিত সময় দিলেই চালিয়ে নেওয়া যায়।
আমাদের পরামর্শ — পড়াশোনা বা চাকরি ছেড়ে দেবেন না। এটি পাশাপাশি চালান, আয় আসতে শুরু করলে তখন সিদ্ধান্ত নিন।
AI যখন সব করে দিচ্ছে, এই কাজটা কি টিকবে?
এই কাজের যেটুকু অংশ AI করে দিতে পারে — ডিজাইন, কপি লেখা, লেআউট সাজানো — সেটুকু আমরা AI দিয়েই করাতে বলি। তাতে আপনার সময় বাঁচে, খরচ কমে।
কিন্তু কাজের যে অংশটা আসল — এলাকার ব্যবসায়ীর সাথে সম্পর্ক তৈরি করা, তাঁকে বুঝিয়ে রাজি করানো, টাকার কথা বলা, দেওয়া কথা রাখা — সেটা কোনো টুল আপনার হয়ে করে দেবে না। এই মডেলটা ঠিক সেই জায়গাতেই দাঁড়ানো, যেখানে AI পৌঁছায় না।
কোর্স কিনলেই কি vigit.me-এর মার্কেটার হওয়া যায়?
না, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নয় — এটা পরিষ্কার করে বলা দরকার। vigit.me-তে মার্কেটার নেওয়া হয় বাছাই করে, সীমিত সংখ্যায়, এবং নিয়োগের নিজস্ব শর্ত ও কাগজপত্রের প্রক্রিয়া আছে। কোর্সের ফি এই নিয়োগের কোনো নিশ্চয়তা নয়।
তবে ফ্লায়ার ক্যাম্পেইনে আপনি যে কাজটাই করেন — লোকাল ব্যবসায় গিয়ে কথা বলা, প্রস্তাব দেওয়া, ফলো-আপ করা — মার্কেটারের কাজও ঠিক তাই। তাই সুযোগ তৈরি হলে সাপোর্ট গ্রুপের সক্রিয় এবং নিজের কাজ দেখাতে পারা সদস্যদের কথাই আগে বিবেচনা করা হয়।
সাপোর্ট গ্রুপে আসলে কী পাওয়া যায়?
গ্রুপটাকে কোর্সের পরের অংশ হিসেবে ভাবুন — ভিডিও শেষ হলে আসল কাজ সেখানেই শুরু হয়।
নিয়মিত পোস্ট হয় পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং, সেলস ও গ্রোথ নিয়ে টিউটোরিয়াল; চলমান ক্যাম্পেইনের ভেতরের হিসাব — কোথায় কত খরচ হলো, কোন কথাটা কাজে লাগল, কোন ভুলটা হলো; আর নতুন প্রোডাক্ট বা কাজের সুযোগের ঘোষণা।
অ্যাক্সেস লাইফটাইম, আর পেমেন্টের সাথে সাথেই গ্রুপের লিংক পেয়ে যাবেন।
নাম পরিবর্তন করা হলো কেন?
এই বিজনেস মডেলটি শুধুমাত্র ছাত্রদের জন্য সীমাবদ্ধ নয়। শুরুতে আমরা ছাত্রদের কথা ভেবেই “অদম্য ছাত্রজীবন প্রজেক্ট” নামটি দিয়েছিলাম, কিন্তু বাস্তবে দেখেছি — চাকরিজীবী, ফ্রিল্যান্সার, গৃহিণীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষও সমানভাবে এই মডেলটি অনুসরণ করতে পারছেন।
তাই সবার জন্য আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক একটি পরিচয় দিতে নামটি পরিবর্তন করে “অদম্য উদ্যোক্তা প্রজেক্ট” করা হয়েছে।
আজই আপনার এজেন্সি শুরু করুন
আপনি শুধু শেখার জন্য নয় — বাস্তবে বিজনেস শুরু করে আয় করার জন্য জয়েন করছেন।
৯৯৯ টাকায় ইনস্ট্যান্ট অ্যাক্সেস